এক বিষন্ন বকুল

 এক বিষন্ন বকুল 

কলমে: আয়েশা মুনতাহা  বৃষ্টি 


অস্থির অশান্ত রদ্দুরে,পূর্ণ রুপে

দেখলাম তারে। এলোকেশী এক রাশি

ঘন কালো চুল,তর্জমায় চক্ষু দুটি

বিষন্ন বকুল।


সেছিলো এক অনন্য দেখা - ঘ্রাণে

তার মিশে ছিলো রোদের প্রখরতা।

অজানা এক ব্যাথ্যার আশালতা,ঠিক তুমি যেনো 

এক নিস্তব্ধ,শৌখিন নিরবতা।


বুড়িগঙ্গার ছায়ে,তুমি এসেছিলে সূর্যের 

কিরণের মতো দীপ্ত হাসি হেসে।

অপ্রলক বেশে তাকিয়ে রইলাম,

জেনো তোমায় ভালোবেসে। 


হৃদয় তোমার গল্প ছূলো,রঙিন যেন

স্বপ্ন হলো,একটি স্নেহের নীড় পেলো।

তোমার এমন বিরুপ ভাষায়, মনটা

রে নেই ভুলো। 


ভ্যাগিস এমন মধুর সময়, হয়েছিল 

আমাদের দেখা, জানতে পারলাম 

তোমার কাছে আমার বিশালতা। 


সন্ধ্যাবেলার পরে, এখন কেউ আর 

ডাকেনা এসে ঘরে। অমন মিষ্টি সূরে 

ঐ তুমি বলেছিলে- বাত খাইবানা..?

আও বাত খাই লও।  


আমি দৃর অপেক্ষায় থাকিলাম, সেই 

কথাখানা আবারো একবার শোনার জন্য। 

হৃদয় টা যে মরিয়া হয়ে ওঠছে বারবার। 

সেবারো তোমাকে তিরস্কার করবো, মৃদু হেসে 

খাবারের টেবিলে বসবো। 


আবারো একবার হারিয়ে যাবো -

বুড়িগঙ্গার বুক চিরে, স্রোতের ন্যায় ভেসে 

শহরের জ্যামজট পেরিয়ে, পানির কলকল শব্দ 

ডাকবে কানে এসে।


তখনি মন আপনি, ডাকবে যখনি

তোমার খুব পছন্দের,পুরান ঢাকার কাচ্চি। 

রাতের বেলা অকারণে নামবে হাসির ঢল, 

চায়ের কাপে বিস্কুট হাতে, এক প্রফুল্ল

মূহুর্তের যেন গল্প-ছবির আঁচল। 


কত যে মনে পড়ে তোমাদের। আর কয়টা দিন 

থাকার বড্ড ইচ্ছে ছিলো, কিন্তু সময়ের 

ব্যাবধানে তা ফিরে নিলো।


ঐ যে বলে এসেছি তোমায় শেষবার 

মুচকি হেসে - ভালো থাইকো!

তুমি অবাক দৃষ্টিতে - চইলে যাইতেছো..?

মাথা নেড়ে মুচকি হেসে,

ফের কইলাম - ভালো থাইকো!

তুমি বিষন্নতায় - আচ্ছা। 

 বিষন্নতার চক্ষু,ঠিক যেনো এক বিষন্ন বকুল।

Comments

Popular posts from this blog

ছোট্ট মিকু সোনা

প্রিয়ো মা

আজ রুপসী কন্যার বিয়ে